| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
সারাদেশ

রংপুর মেডিকেলে লোডশেডিং, মুঠোফোনের আলোয় চলছে চিকিৎসা

জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ নেই ১২ ওয়ার্ডে, চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

রংপুর প্রতিনিধি
আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১
রংপুর মেডিকেলে লোডশেডিং, মুঠোফোনের আলোয় চলছে চিকিৎসা
ছবিঃ প্রথম আলো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২টি ওয়ার্ডে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লোডশেডিংয়ের সময় পাওয়া যাচ্ছে না জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ। এ সময় চিকিৎসায় ভরসা মুঠোফোনের আলো। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় মেডিসিন ওয়ার্ডে

বিদ্যুৎ চলে গেলেই অন্ধকারে ডুবে যায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২টি ওয়ার্ড। জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় মুঠোফোনের আলোয় রোগী দেখতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। একই আলোয় স্যালাইনের সুচ ফোটানো ও ব্যবস্থাপত্র লেখার কাজও করতে হচ্ছে নার্স ও চিকিৎসকদের।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৪০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টিতে জেনারেটরের জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। বিশেষ করে গত আট দিন ধরে মেডিসিন বিভাগের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে রোগী ও স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে ৬, ৭, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডও অন্ধকারে ডুবে যায়। এসব ওয়ার্ডে জেনারেটরের সংযোগ না থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার বিদ্যুৎবিভ্রাটে হাসপাতালের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড অন্ধকারে ছেয়ে যায়। এ সময় চিকিৎসকদের মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়ে রোগী দেখতে ও ব্যবস্থাপত্র লিখতে দেখা যায়। নার্সরাও একই আলোয় রোগীদের স্যালাইন দিতে বাধ্য হন।

হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, গত আট দিন ধরে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়বার লোডশেডিং হচ্ছে। প্রতিবার অন্তত আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে পাখা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের জরুরি সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মুঠোফোনের আলোয় রোগী দেখতে হচ্ছে, যা চিকিৎসাসেবার জন্য অত্যন্ত সমস্যাজনক।

হাসপাতালের বিদ্যুৎমিস্ত্রি কামরুজ্জামান জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণে ১২টি ওয়ার্ডে জেনারেটরের জরুরি সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে বিদ্যুৎ গেলেই এসব ওয়ার্ডে অন্ধকার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল মোকাদ্দেম বলেন, বিষয়টি গণপূর্ত বিভাগকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এদিকে গণপূর্ত বিভাগের ইলেকট্রোমেকানিকস উপবিভাগের প্রকৌশলী মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, হাসপাতালটি পুরোনো হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু সমস্যা রয়েছে। হাসপাতালের প্রয়োজন প্রায় ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ হলেও বর্তমানে সক্ষমতা রয়েছে ৫ মেগাওয়াটের। বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২