| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
রাজনীতি

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৬ নেতা–কর্মী রিমান্ডে

নিউজ জংশন ডেস্ক
আপডেট: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪২
সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৬ নেতা–কর্মী রিমান্ডে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গ্রেপ্তার নেতা–কর্মীদের আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকা; ৮ আগস্ট ২০২৬ । ছবিঃ প্রথম আলো

নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ছয় নেতা–কর্মীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসানের আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে প্রত্যেক আসামির পৃথক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি।

রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন—যশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ ও কর্মী মো. আমিনুর রহমান; যশোরের মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক নান্নু মিয়া; চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন এবং মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সজল আহমেদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম মফিজুর রহমান। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের অভিযোগ

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, শুক্রবার রাতে গুলশান শুটিং ক্লাবের সামনে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, গুলশান-১ এলাকার একটি শপিং মলের ফুডকোর্টে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বৈঠক করছেন। সেখানে তাঁরা নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে গোপন পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পুলিশের দাবি, রাত পৌনে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ছয়জনকে আটক করে। তবে অন্যরা কৌশলে পালিয়ে যান বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আটকের সময় আসামিদের কাছ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যশোরের চৌগাছা উপজেলা শাখার বিভিন্ন কমিটির তালিকা জব্দ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার গুলশান থানার এসআই জাহিদ হাসান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।

পুলিশের আরও দাবি

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে দাবি করেন, প্রাথমিক তদন্তে মামলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় নেতা এবং তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে গুলশান এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে গোপন পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন।

রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নাশকতার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়। একই সঙ্গে পলাতক সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটনেও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে দাবি করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা কে এম মফিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারের সময় আসামিদের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির নথি জব্দ করা হয়েছে। তাঁদের কাছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সিলও পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, আসামিদের কাছ থেকে জব্দ করা মুঠোফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। এর মাধ্যমে মামলার বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছে পুলিশ।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২