মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ব্রাহ্মণভিটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মিতব্য চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, নবগঠিত এডহক কমিটির সংবর্ধনা, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও বিদ্যালয়ের বার্ষিক মেধা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণভিটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক মোল্লা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো, মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আজগর রিপন মল্লিক, ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন মোল্লা, ধীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিলু, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন শেখ, কে শিমুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মুন্সি, পাঁচগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম শেখ, ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল সদস্য তারিক হোসেন তারা মিয়া, ধীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজল মোল্লা, মটুকপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মোল্লা এবং ধীপুর ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. সেলিম শেখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বার্ষিক মেধা পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য তাদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য উৎসাহিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন মোল্লার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ধীপুর ইউনিয়নে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বক্তারা বলেন, একটি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে শিক্ষার বিকল্প নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।