| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
সারাদেশ

ভোলাহাটে আসাদুল হক হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গোমস্তাপুরে অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:২২
ভোলাহাটে আসাদুল হক হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
ছবিঃ নিউজ.জংশন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে আলোচিত আসাদুল হক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. ইলিয়াসকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

র‌্যাব জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত আড়াইটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানাধীন বাঙ্গাবাড়ী বেলনাথপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. রফিকের বাড়ি থেকে মামলার পলাতক এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভুজা বটতলা এলাকার মৃত আরশাদ আলীর ছেলে।

গ্রেপ্তার ইলিয়াসকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলাহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

যেভাবে হত্যা মামলার সূত্রপাত

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন ঢাকার মিরপুর-১২ (কালসী) এলাকায় আসাদুল হকের ছোট ছেলে আব্দুর রশিদকে কয়েকজন ব্যক্তি মারধর করে আহত করে। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে আসাদুল হকের পরিবারের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

এর পরদিন ১৯ জুন সকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভুজা বটতলা এলাকায় আসাদুল হক ও তাঁর স্বজনদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দুটি বাড়ির নয়টি ঘর, আসবাবপত্র ও একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

হামলার সময় আসাদুল হক, তাঁর ভাই আশরাফুল হক, নজরুল, ফুজলু, ছেলে আশিকসহ কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসাদুল হকের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে পুনরায় ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিরিয়ে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১৯ জুন দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত আসাদুল হকের স্ত্রী মোসা. আজিনুর বেগম বাদী হয়ে ৪৯ জন এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনের বিরুদ্ধে ভোলাহাট থানায় মামলা করেন। মামলাটি ভোলাহাট থানার মামলা নম্বর-১৭, তারিখ ২০ জুন ২০২৬। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৪৩৬, ৪২৭, ৩৮০, ৩০৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০২, ১১৪, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, মামলার পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২