যশোরের মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্রাট হোসেনের বদলি আদেশ কার্যকর না হওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মনিরামপুরে যোগদানের পর প্রায় আট মাসের ব্যবধানে তাঁর দুই দফা বদলি আদেশ হলেও তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। কীভাবে এসব বদলি আদেশ কার্যকর হওয়া থেকে ঠেকানো হচ্ছে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুরে যোগদানের পর থেকেই ইউএনও সম্রাট হোসেনকে ঘিরে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনওর বক্তব্য জানা যায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের জরিপসংক্রান্ত নিয়োগসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনায় লোক নিয়োগের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি কার্যক্রমে নির্দিষ্ট পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, ইউএনওর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে দুই দফা বদলি আদেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উভয়বারই তিনি বদলি আদেশ কার্যকর না করে মনিরামপুরেই বহাল রয়েছেন বলে তারা অভিযোগ করেন।
এদিকে, তাঁর বদলি আদেশ বারবার কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কী কারণে বদলি আদেশ বাস্তবায়ন হচ্ছে না এবং এর পেছনে কারা ভূমিকা রাখছেন—তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার বদলি আদেশ হলে তা যথাযথভাবে কার্যকর হওয়া উচিত। বারবার বদলি আদেশ কার্যকর না হওয়ার ঘটনায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
তবে ইউএনও সম্রাট হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং বদলি আদেশ কার্যকর না হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।